Monday, August 6, 2018

বাসুদেব দাশগুপ্ত সম্পর্কে অজিত রায়

কলকাতা-কেন্দ্রিক ন্যাকাচিত্তির সাহিত্যের এঁদো কপচাবাজি এবং তার ভেক্টর প্রতিষ্ঠানের মুখে জোর থাপ্পড় মেরে তার গিল্টি-করা দাঁত উখড়ে তার ভেতরকার মালকড়ি ফাঁস করে দিতে আজ থেকে তিপ্পান্ন বছর আগে দানা বেঁধেছিল বাংলা সাহিত্যের প্রথম আভাঁগার্দ আন্দোলন ----- হাংরি জেনারেশন। যা ছিল আক্ষরিক অর্থেই কলকাতার বাইরের কবি-লেখকদের নয়াল সংযোজন। তাঁরা এসেছিলেন এমন এক মিলিউ থেকে যেখানে বাংলার তথাকথিত ভদ্রায়তনিক সংস্কৃতির কোনও শিস-ই গজাবার নয়। জীবনের অনেকরকম শিক্ষা থেকে বঞ্চিত থাকতে হয় যেখানে। হাংরি সিসৃক্ষার কলিন অধ্যয়নে এই প্রেক্ষাপটটি সর্বাগ্রে মাথায় রাখতে হবে। এই হাঙ্গামার প্রধান স্রষ্টা মলয় রায়চৌধুরীর শৈশব অতিবাহিত হয়েছিল বিহারের ভয়ঙ্কর কুচেল অধ্যুষিত বাখরগঞ্জ বস্তিতে। তাঁর টায়ার ছোটবেলা অতিক্রান্ত মুসলিম অধ্যাসিত দরিয়াপুর মহল্লায়। সেই অস্বাচ্ছন্দ্য, অখল জ্বালা, ক্ষোভ আর বিদ্রোহকে বুকে করে মলয়ের বেড়ে ওঠা। সংস্কৃতির একেবারে নিচেকার পাদানি থেকে আসা, নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে ওঠার প্রতিটি মানুষী শঠতার সাক্ষী, স্পেঙলারের সংস্কৃতি ও অবক্ষয়কালীন সর্বগ্রাস তত্ত্বে তা-খাওয়া একজন বাইশ-তেইশ বছরের কৃষ্টিদোগলা বা কালচারাল বাস্টার্ড লেখালেখির মাঠে এলে যা ঘটবে, সেটা তো রফা হয়েই ছিল।
১৯৫৯-৬০। বৃটিশবীর্যিত মুলুকের পোঁদে গাঁড়সা পুঁতে গাদি সামলাচ্ছেন নেহেরু। দেশের দুই প্রান্তে পার্টিশানের টসটসে পাঁচড়া। পুব পাকিস্তান থেকে আগত অন্যৎপুষ্ট মানুষের কিছু থোপনা তখনও আনলোড হচ্ছে শেয়ালদার টেসেলেটেড চাতালে। হাভাতে মানুষের কেরবালা বিধানবাবুর গড় জুড়ে ছিৎরে পড়ছে। দেশভাগের সময় পুব বাঙলা থেকে যে কিশোরগুলো বাবা-মায়ের কড়ে ধরে কলকাতায় এসেছিল, তারা এদণ্ডে গাগতরে বেতর, কিন্তু বয়সে ও মগজে সাজোয়ান। দেশভাগের খসা চোকলা। কাঁধের চিক্কুটে ঝোলায় কবিতার লাজুক খাতা আর কলা-ওঠা টিনের সুটকেশ ঢুয়ে কলকাতার রাস্তায় গলিঘুঁজিতে এক রাত্তির হিল্লের মনসুবায় চোখমুখ কালিয়ে ঘুরে বেড়ায় আর সাঁঝের আলা মদ্দিম হলে সারমেয় অধ্যাসিত ফুটপাতে, হয়ত-বা কোনও দয়াল বন্ধুর ঘাড়ে অথবা গেরস্ত বাড়ির হেঁসেল-ঠোরে রাত গুজরান। ইহাদের প্রত্যেকের বুকে কবিতা নামের পিলপিলে গণ্ডুপদটি ক্ষণে ক্ষণে ঢসন মারে। ইহারা সকলে প্রবল কবিতা-পিশাচ। পিশাচ, কেননা ইহাদের মাঘার ঘিলুতে জবরদস্ত পুঁজরক্ত যাহা গোপন আঁধারে কলম দিয়া চোয়ায় আর দেউলের দেউটি সহসা নিভায়।
ষাটোত্তর গরদিশের দিনগুলি। গেরস্তের জবরদখল-করা হেঁসেলে আচকা নোটিশ হয়ে গেল। ভাঙা আয়না, দাঁড় টুনানো চিরুনি, তেলের শিশি, জীর্ণ ফতুয়া, কলা-ওঠা টিনের সুটকেশ আর লজ্জাবতী কবিতার ধুকড়ি নিয়ে পথে দাঁড়াল সুভাষ। সুভাষ শলা করল, ----- শৈল, চ, দুজনে মিলে একটা ঘর নিই। টালায় ১৬-বি শ্যামচরণ মুখার্জি স্ট্রিটের একতলায় দুর্গন্ধ-পীড়িত ফালি-খানেক ঘর যোগাড়ও হয়ে গেল। খিড়কির পাল্লা সরালেই ড্রেনের ধারে পাছা ঝুলিয়ে নিত্যকর্মে ব্যস্ত কৃশগাঁড় বিভীষিকা।
সুভাষের গেরামের ইশকুলে কমপয়সার চাকরি। দু-বেলা যুৎসই অন্ন জোটে না বটে, কিন্তু গদ্যের হাতটি খাসা। তাহাতে ড্যাশ ও হাইফেনের যাচাই ভুরিভোজ। শৈলেশ্বরেরও মতিগতি উনিশবিশ। অল্প পড়াশোনা। ভাঙাচোরা ফ্যামিলির ছেলে। অশহুরে, তথা জন্মলব্ধ সারল্য ও সততা। ফলে মানিকজোড় হতে সূর্যঘড়ি লাগেনি। দুজনেই টিউশানি ধরে, আর ছাড়ে। হপ্তায় দু-দেড় দিন ভিজিট, আর চার-পাঁচদিন একুনে নাগা। ফলে আট থেকে দশদিনের মাথায় জবাব হয়ে যায়। খাওয়ার পয়সা নেই। বৃদ্ধ পিতা পঙ্গুত্বের লেংগি খেয়ে খাটের প্রাণী। ছাত্র-রাজনীতির গাজোয়ারি-প্রসূত 'লম্বা' হাঁকন বাবদ আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে নীমসম্বন্ধ। ফলে, দিনগুলি বেজায় নড়বড়ে, জীবনযাত্রা ধূরিপথহীন। সাহিত্য করা তো দূর অস্ত, সাহিত্যের জিগির-মাত্রে পিছদাঁড়ায় কাঁপন। ডাইনির ছমছমে খিখি অষ্টপ্রহর। ক্কচিৎ পকেটে বাড়তি খুচরো জুটলে শ্যালদার চোরা-হোটেলে জলের সঙ্গে পাঞ্চ করে, ভরদুপুরে কান্ট্রি-লিকার। শ্যামবাজারের জন্তা হোটেলে ছ'আনায় ভরপেট খানা। লেটনাইটে ঘুমের ধাক্কায়, বাড়ি। একজনের ঘুম জুটত, অন্যজনের জুটত না। শৈলেশ্বরের ছিল ইনসোমনিয়ার ব্যামো। সারা-সারারাত মরা মাছের নিস্পন্দ চাউনি সিলিং-পানে।
সুভাষরা একসময় ক'জন বন্ধু মিলে 'এষণা' নামে একটা কাগজ বের করত। খুবই পাতি, অতীব বালখিল্য সে কাগজ। সুভাষ-বাদে অন্যরা সবাই মামুলি মাস্টারবেট-করা লেখক, মানে পার্ট-টাইম। অল্প খিঁচে নিল, ব্যস, সাহিত্যের বাঘ মারা হয়ে গেল। আপিসে-আপিসে কেরানিগিরি, আর রোববার সকালে পাঁচ পয়সায় আধ প্যাকেট ক্যাপস্টান কিনে শ্যামবাজার কফিহাউসে ধুন্ধুমার আড্ডা। কফির কাপ আর তামাকের কড়া ধোঁয়ায় বাঙালির বেড়ে বাফুনারি। শৈলেশ্বর-সুভাষরা ইন্টেলেকচুয়াল নয়, গেঁয়ো বুদ্ধি, গেঁয়ো কথাবার্তা। অপরপ্রান্তে, ধাউড়দের মুখে বিদিশি বই, ফরেন-কলমচিদের রেফারেন্স। ইনজিরির ছররা। দুজনের মধ্যে শৈলেশ্বরের বুদ্ধি একটু খোলা, মওকা বুঝে, সময় থাকতে কাগজটাকে নিজের হেফাজতে নিল। কাপ্তানি সুভাষের, কিন্তু কলকাঠি শৈলর হাতে। অবশ্য, চারটে মাত্র ইস্যুই হাপিস হয়েছিল 'এষণা'র।। হাংরি জেনারেশান সাহিত্যের ঐ ছিল গর্ভ-সূচনা। অচিরেই এষণার ছাদনায় এসে ভেঁড়ে প্রদীপ আর সুবো।
এবং আরও একজন। বছরটা ১৯৬৩।
ছেলেটির বয়স কুড়ি। রুজির যোগাড়ে গোড়ার দিকে থাকত কলকাতায়। টালা ব্রিজের কাছে খেলাত বাবু লেনে। বারোঘর এক উঠোনের একটি পোড়া বাড়িতে। সারাদিন রুজির খোঁজে, ফিরত রাত নিবিড়ে। পরে ন্যূনাধিক একটা হিল্লে হলে, অশোক নগরের উদ্বাস্তু কলোনিতে পাকাপোক্ত নোঙর। সেও ছিল দেশভাগের ঠাঁটা চোকলা। ডাঁসা বাঙাল। জিরজিরে শরীর। উপদ্রুত মন। চাঁচাড়ি-ঘেরা তার এক-কাটরা বাড়ি। ছেঁড়া শাড়ির গাঁঠরি। বাতায় ঠোঁসা সরষে তেলের শিশি। একটিপ তেল মেখে, শ্যালো টিপে দু-বালতি জলে স্নান সেরে ও গামছায় সর্বাঙ্গ মুছে, ভাঙা আয়নার সামনে ব্যাকব্রাশে টেরি চিরে দরমার দরজা ভেজিয়ে এক রোববার সে ঐ 'এষণা'র ঠেকে। লেট এন্ট্রি।
ছেলেটির নাম বাসুদেব দাশগুপ্ত।
হালিতেই সে ঝুলি থেকে বের করে এগিয়ে দ্যায় একটি লিটল ম্যাগাজিন। পবিত্র বল্লভ সম্পাদিত 'উপদ্রুত'। তাহাতে একটি দীর্ঘ গদ্য, ------ নাম 'রন্ধনশালা'। সে বলেছিল, 'গল্প'।
বাসুদেব 'রন্ধনশালা' রচনা করেন একষট্টিতে। তেষট্টিতে সেটি ম্যাগাজিনে কৃষ্ণহরফ পায়। গদ্যটি গ্রন্থত্ব লাভ করে উৎপলকুমার বসুর হেফাজতে, ১৯৬৫-তে। শুধু এই রন্ধনশালার কথাই যদি বলতে হয়, এবং ১৯৬৩-র প্রথম আলোকনের সালটিকেই যদি ধরতে হয়, বলব, সেই সময়ের প্রেক্ষিতে ভারতবর্ষের সহস্র সহস্র বছরের সর্বঅস্তিত্বগ্রাসী ক্ষুধার এ-তুল্য বহিঃপ্রকাশ এবং তার এহেন গ্রাম্য আদিম রাস্টিক তথা অস্বস্তিকর ভাষায় আত্মপ্রকাশ একটা বড়সড় তহেলকার চেয়ে বিন্দুমাত্র উনিশ ছিল না। এ ছিল এমন লেখা, যা পড়ার পর, বাংলা সাহিত্যের পাঠক আগের যা-কিছু পড়া সমস্ত হকহকিয়ে বমি করে দ্যায়। বাংলা গদ্যের শেলফ প্রায় খালি হয়ে যায় রন্ধনশালা পৌঁছনোর পর।
রন্ধনশালার হব্যাশে সেদিন আকখা কলকাতা তোলপাড়। খাসির ল্যাজ তুলে যাঁরা মাংসের বহর আন্দাজাতে পটু, সেইসব ঘোড়েল সমালোচকেরা অব্দি রচনাটিকে ফ্রানজ কাফকা, লুই ফার্দিনান্দ সিলিন এবং গিন্সবার্গ-এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছিলেন। বাসু-বন্ধু শৈলেশ্বর কবুল করেছিলেন : ইমাজিনেটিভ সাহিত্যের এহেন উদাহরণ বাংলাভাষায় খুব বেশি নেই। বাস্তব অভিজ্ঞতাই লেখকের পা রাখার জায়গা, তারপরই বাসুদেব পাঠককে নিয়ে যান এক সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতার মধ্যে।
আসলে, শৈলেশ্বর জানাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে যে ছোটলোক বা সংখ্যালঘুর মনোভাব কাজ করছিল, রন্ধনশালা ও তৎ-পরবর্তী গদ্যসমূহে সেটাকেই ঝাড়বাতির তলায় মেলে ধরেছিলেন বাসুদেব দাশগুপ্ত।
Comments
Dipayan Pathak
Dipayan Pathak আরো লেখা চাই এই বিষয়ে , প্রণাম নেবেন , আর কিছূ বলার নেই .......
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Rajkumar Sarkar
Rajkumar Sarkar আপনি মাইরি আজব মানুষ তো..

কত ইতিহাস ও তথ্য তুলে এক অভিনব কায়দায় পরিবেশন করেন।salute.See more

Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Swapan Roy
Swapan Roy গ্রেট। দারুণ লিখেছিস। বাসুদেব দাশগুপ্ত ব্যতিক্রমের ব্যতিক্রম। তবে বাংগালদের নিয়ে লিখলে মলয়দা পছন্দ নাও করতে পারেন।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Somen Ghosh
Somen Ghosh ভেবেছিলুম গদ্য বোধহয় শেষ
এখন দেখছি অশেষ।
শরীরের যত্ন নিও । বাদামের শরবত খেও।

Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Arghya Dutta
Arghya Dutta Siddhartha... ডাকলাম।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Tanumay Goswami
Tanumay Goswami 'দ্য রেচেড অব্ দ্য আর্থ' (১৯৬১) গ্রন্থে ফ্যানন পুরো সমাজটাকে ডিগবাজি খাওয়াবার কথা বলেছিলেন l বলেছিলেন শ্বেতাঙ্গ মূল্যবোধকে অপমান করতে হবে, বমি করে উগরে দিতে হবে, শ্বেতাঙ্গের চাপানো সামাজিক আর রাজনৈতিক চেতনাকে ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে l ওঁর মতে আত্মিক ও মনস্তSee more
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Chayan Bhowmick
Chayan Bhowmick বাসুদেব দাশগুপ্তর নাম প্রথম শুনি আমার বউয়ের মুখে, ওর পরিবারের পরিচিত, এবং শিক্ষক। মদের বোতলটা প্রমাণ করে দিলেন উনিই সেই ব্যক্তি। অসম্ভব গুণী, এবং জীবন সম্বন্ধ উদাসীন। অতটা বিজ্ঞাপিত নন এবং বর্তমানে প্রায় নিশ্চিহ্ন। ভালো করেছেন ওনাকে সামনে এনে। রন্ধনশালার নাম সেই পনেরোবছর আগে শুনেই পড়েছি। এবং অনবদ্য।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w · Edited
Kuntal Mukherjee
Kuntal Mukherjee রহস্যরোমাঞ্চের ফুর্তি এই গদ্যটায় । প্রাণবন্ত , স্বচ্ছল এক ফুরফুরা শরীফ ।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Somnath Shaw
Somnath Shaw রন্ধনশালা পড়ার সৌভাগ্য এখনও হয়নি অজিত দা I রোজ সকালে আমি মাথা ঠুকি এসব সাহিত্যের কাছে, এইসব সাহিত্যিকদের কাছে, কবি দের কাছে I এরাই তো ভবিষৎ প্রজন্মের পথ প্রশস্ত করেছেন I সাহিত্যের জন্য কত ঝড় ঝাপটা সহ্য করেছেন I নিজের জীবনে কালিমা লিপ্ত করেছেন I এঁদের আমি গুরু বলে মানি I
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w · Edited
Santanu Dey
Santanu Dey এই বইটার খোঁজ পেলাম।অর্ডার ও দিয়ে দিয়েছি।http://www.anandabazar.com/.../%E0%A6%A4%E0%A6%96%E0%A6...Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Subhajit Journojeet
Subhajit Journojeet তোমার এই পোস্টটা পড়ে বাসুদেব দাশগুপ্তর ভাষায় বলি,"ব্রেক ইয়োর সাইলেন্স প্লিজ"!
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Ajit Roy
Ajit Roy কলকাতায় আমার ধোপানাপিত গোড়া থেকেই বন্ধ, আর তুমি কিনা নোক বাজাচ্ছো!!! হা হা হা! Subhajit Journojeet
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w · Edited
পৃথা ঘোষ
পৃথা ঘোষ bishoybostu badeu I am a fan your sarcasm....koekta shobdo just volar noi...:-)
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Binod Ghoshal
Binod Ghoshal কী অসাধারণ লেখা!
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Bikash Gayen
Bikash Gayen অনবদ্য
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Sima Roy
Sima Roy Excellent.
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Nirupam Chakraborty
Nirupam Chakraborty এই লেখাটা অনেক স্মৃতি উসকে দিল আমার। আমার মতো অনেক অর্বাচীনের বাংলা শেখা ওনার হাত ধরে। হাংরির অন্যতম শরিক বা রন্ধনশালার মতো বাংলা সাহিত্যের ব্যতিক্রমী গদ্যকার শুধু নন, একজন বিরাট হৃদয়ের মালিক, পরোপকারী, গায়ক, অসামান্য শিক্ষক বাসুজেঠু (আমি এই নামে ডাকSee more
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Ajit Roy
Ajit Roy আমি আপ্লুত, মাত্র এইটুকুন তো লিখলাম। কাল-পরশু উজাড় করে দেব।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Jyotirmoy Biswas
Jyotirmoy Biswas আঃ কে যেন আপনার পোস্টে একবার লিখেছিলো, "অজিত বাংলা লিখতে জানিসনা সাহিত্য করিস"...তাকে ঘেঁটি ধরে (ক্ষমা করবেন) এই লেখা পড়াতে ইচ্ছে করছে।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Biplab Gangopadhyay
Biplab Gangopadhyay অসাধারণ লেখা ।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Debabrata Shyamroy
Debabrata Shyamroy এটা কি কোনও বড় লেখার কথামুখ, অজিতদা?
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Debashis Ghosh
Debashis Ghosh পড়লাম । অন্যরকম লেখা । হাংরি জেনারেশন মুভমেন্টের উপর প্রবন্ধ পড়েছি, মূল রচনা পড়া হয় নি ।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Sundor Mukhopadhyay
Sundor Mukhopadhyay খুব ভালো লিখেছেন। আরো লিখুন। রন্ধনশালার কিছু অংশ যদি পোস্ট করেন ভালো হয়।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Dipankar Barat
Dipankar Barat মাইরি বলছি, শব্দের ঝাক্কাস ফুলঝুরি ওড়াচ্ছ। ব্রেক কেন দাও বলোতো? খেই হারিয়ে যায়।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Ajit Roy
Ajit Roy ওয়েট। কিন্তু আমি কে, আমাকেই বা কেন বলতে হচ্ছে এসব, বা মলয় রায়চৌধুরীকে? কলকাতায় কি আর কেউই নেই?????
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Somnath Majumder
Somnath Majumder কোন শালা বলে ফাতারু মরেছে
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Dipankar Barat
Dipankar Barat পাঠক তোমার লেখায় জানতে চায় ইতিহাসকে। তোমার লেখনীর পিয়াসী তারা, তুমি যেমন সূরা ঢালবে, তেমন ই তোমার সাহিত্যের নেশায় বুঁদ হবে তারা। যারা এ বিষয়ে জানে, তারা চুপ করে সব পড়ছে আর নিজেদের ভুলে যাওয়া স্মৃতিগুলো ঝালিয়ে নিচ্ছে।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Rana Bosu
Rana Bosu অজিত বাবু, লেখাটার কি কোনও সফট কপি পাওয়া যায়!!! বা আপনার কাছে আছে?? দিতে পারেন!
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Sabyasachi Ghosh
Sabyasachi Ghosh কলেজের সময় রন্ধনশালা পড়েছিলাম। আমার বাবা বইটা দিয়ে বলেছিলেন এটা না পড়লে বাংলা সাহিত্যকেই জানা হবে না। আজ আবার সেই স্মৃতি উসকে দেবার জন্যে আপনাকে অনেক প্রনাম।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Tapas Ojha
Tapas Ojha 'এহেন গ্রাম্য আদিম রাস্টিক তথা অস্বস্তিকর ভাষায় আত্মপ্রকাশ একটা বড়সড় তহেলকার চেয়ে বিন্দুমাত্র উনিশ ছিল না।'-' ন্যাকাচিত্তির' লব্জে বলি, -মুগ্ধ । না, আর কেউ নেই ।আপনিই বলুন ।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Subha Adhya
Subha Adhya aha... ki porlam... pagla kora lekha
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Alpana Banerjee
Alpana Banerjee দারুন! রন্ধন শালা জোগাড় করব কোথায় বলে দেবেন অজিতদা?
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Amal Basu
Amal Basu পরের কিস্তির অপেক্ষায়। এভাবেই নামুক ২০ পাতা।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Debasis Poddar
Debasis Poddar Durdhorsho......
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Pradip Chakraborty
Pradip Chakraborty এই গদ্য অননুকরনীয়।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Tanushree Pal
Tanushree Pal Share na Kore parlam na...pronam....apnar shreemoti.
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Amritakana Majumder
Amritakana Majumder R kodin porei babar chole jbr dinti boddo besi mone kray babake..... ei lekha pore sudhu ichche hoy bli.. ..baba tumi dekhcho ki?
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Gurudas Chakrabarty
Gurudas Chakrabarty এতো হাড় মজ্জা খসে পড়বে সব সুললিত দেহের। মস্তিষ্কের করোটির ভিতর অবধি পৌঁছে যাচ্ছে । সত্যিই অনেকদিন পরDipankar Bhattacharyya
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Moumita De Das
Moumita De Das Share korlam
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Writobroto Ghosh
Writobroto Ghosh অনবদ্য। দাদা শেয়ার করলাম
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Suman Ghosh
Suman Ghosh গায়ে কাঁটা দেয়
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Anindya Sanyal
Anindya Sanyal অজিতদা, বাসুদেব নিয়ে আপনার সাথে বেশ কয়েকবার কথা হয়েছে। আমি আর হয়তো রন্ধনশালা পড়ব না কিন্তু সময়টাকে মনে রাখতে হবে
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 50w
Jayeeta Bhattacharya
Jayeeta Bhattacharya অনেক ধন্যবাদ এই অতুলনীয় লেখাটির জন্য
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 36w
Dayamay Mahanty
Dayamay Mahanty এই লেখাটা কী ভাবে আমার চোখ এড়িয়ে গেছল! ওফ!
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 36w
Nilim Gangopadhyay
Nilim Gangopadhyay তোমার লেখা বাসুদেব দাশগুপ্ত, পড়ার
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 36w
Nilim Gangopadhyay
Nilim Gangopadhyay তোমার লেখায় বাসুদেব দাশগুপ্ত পড়ার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম, আমি তার একান্ত প্রেমিক !!
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 36w
ঝুমা গঙ্গোপাধ্যায়
ঝুমা গঙ্গোপাধ্যায় অজিতদা এইজন্য ই আপনি প্রণম্য।
Manage

LikeShow More Reactions
· Reply · 36w

No comments:

Post a Comment

হাংরি আন্দোলনের কবি দেবী রায় : নিখিল পাণ্ডে

  হাংরি আন্দোলনের কবি দেবী রায় : নিখিল পাণ্ডে প্রখ্যাত কবি, হাংরির কবি দেবী রায় ৩ অক্টোবর ২০২৩ চলে গেছেন --- "কাব্য অমৃতলোক " ফ্ল্...