Showing posts with label শৈলেশ্বর ঘোষ. Show all posts
Showing posts with label শৈলেশ্বর ঘোষ. Show all posts

Wednesday, August 22, 2018

ভণ্ডকবি শৈলেশ্বর ঘোষের তৃণমূলের দলদাস হবার অনুষ্ঠান

প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজে ক্ষমতার লোক হবার আগে শৈলেশ্বর ঘোষের কোটেশান । লোকটা যে আসলে ভণ্ডকবি ছিল তার প্রমাণ মৃত্যুর আগে তৃণমূলের দলদাস হয়ে প্রতিষ্ঠানের ক্ষীর খাবার চেষ্টা ।

" একজন যিনি কবি হযে় উঠতে চান, তার আত্মবিমোচন পদ্ধতি শুরু হতেই যদি বুঝে যান যে তিনি ক্ষমতার বিপক্ষের লোক নন, তিনি ক্ষমতার পক্ষের লোক; তিনি যে ভাষা পেতে চান সেটি ক্ষমতাকে বিরূপ করে তুলবে -- তখন শুরু হয় তার ত্রাসের কাল | ভাষা বিমোচন তো দূরের কথা, এই সংঘর্ষের ক্ষেত্রটি থেকে পলায়নই তার বাঁচার পথ হয় | এমন রচনাকার আমরা দেখেছি যিনি ক্ষমতার ভাষাকে আঘাত করার আপাত একটা মানসিকতা দেখাচ্ছেন কিন্তু অনতিকালেই তিনি ওই পথ ত্যাগ করতে বাধ্য হন | তিনি ঢুকে পডে়ন ক্ষমতাসেবীর দলে |" শৈলেশ্বর ঘোষ (ভাষা বিমোচন)
                                           
                    মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় আয়োজিত সভায় ভণ্ডকবি

Friday, August 17, 2018

কথাকলি দত্ত : ইতিহাসের বিকৃতি

কথাকলি দত্ত : ইতিহাসের বিকৃতি
হাংরি জেনারেশন রচনা সংগ্রহ যখন দে’জ এর মতন নামী প্রকাশন সংস্হা প্রকাশ করে, তখন মনে ফুর্তি হয় । তাই বইটি তড়িঘড়ি সম্পাদকের কাছ থেকে সংগ্রহ করি । সম্পাদক সব্যসাচী সেনকে আমি জানি না । প্রথমে ভেবেছিলাম, ঘ্যাম কেউ হবেন বোধহয়, খোঁজখবর নিয়ে দেখলাম, না না, তেমন কেউ নন, শৈলেশ্বর ঘোষের চামচা । শঙ্খ ঘোষ অবধি এখনও পৌঁছোতে পারেনি বেচারা, চেষ্টা যদিও আছে খুবই, তবে শঙ্খর চামচা অভীক মজুমদারের কাছ অবধি পৌঁছে গেছে । যদি ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ে । কথা হচ্ছে হাংরিদের নিয়ে -- এর মধ্যে আবার শঙ্খ ঘোষ এলেন কোথ্থেকে ! অভীক ভাইটি, সব্যসাচীর ভাইপোটি, শঙ্খ ঘোষকে আমি আনিনি -- এনেছ তোমরা -- বইয়ের শুরুতে । যে মাঝারি মাপের কবিটি লম্বা জিব বের করে সারা জীবন আনন্দবাজারের পা চেটে-চেটে কবিগুরু হলেন, তিনি নাকি হাংরি ! সোনার পাথরবাটি ! কাঁঠালের আমসত্ব ! তাঁর খিদে তো অন্য ভাই অভীক, ভাইপো সব্যসাচী ।

এখন ৬৭০ পাতার বই তোমাদের প্রকাশ করতে হল শুধু শঙ্খর নির্দেশে, শৈলেশ্বরকে হিরো বানাতে এবং হাংরি স্রষ্টা মলয় রায়চৌধুরীকে হেয় করতে ! বেচারা ! ইতিহাস চক-ডাস্টার নয় যা চাইলেই মুছে দেওয়া যায় ।

যে যাই বলুক, হাংরি আন্দোলনের স্রষ্টা মলয় রায়চৌধুরীই ছিলেন । তাঁর সঙ্গে আরও অনেকেই হয়তো ছিলেন, কিন্তু মলয় রায়চৌধুরী এই আন্দোলনের জনক । 

অভিভাবকবাবুরা কথা ঘোরাতে চাইলেও সত্যিটা সত্যই থাকবে । মলয়ের নেতৃত্বে ১১ টি প্রস্তাবের ইশতাহার বের করেছিল আন্দোলনকারীরা । একটা টকে যাওয়া ও পচে যাওয়া সময়ের বিরুদ্ধে ছিল প্রতিষ্ঠানবিরোধী প্রতিবাদ ।

( ৩৬৫ দিন পত্রিকায় প্রকাশিত, দে’জ-এর সব্যসাচী সেন সম্পাদিত ‘হাংরি জেনারেশন রচনা সংগ্রহ’ গ্রন্হের রিভিউ)

 

Friday, August 10, 2018

বাসব রায় ( যুগশঙ্খ, গৌহাটি ) : শৈলেশ্বর ঘোষরা হাংরির ক্ষীর খেতে চেয়েছে


কোনো প্রশ্ন করবেন না, মনে কোনো দ্বিরুক্তি রাখবেন না, হাংরি আন্দোলন এক এবং একমাত্র মলয়ের, মলয় রায়চৌধুরীর। শুধু তিনি শব্দটা তুলে এনেছিলেন চসার-এর থেকে। 
শৈলেশ্বর পরে এর ক্ষীরটা খেতে চেয়েছেন। এই আর কী...
                                       

হাংরি আন্দোলনের কবি দেবী রায় : নিখিল পাণ্ডে

  হাংরি আন্দোলনের কবি দেবী রায় : নিখিল পাণ্ডে প্রখ্যাত কবি, হাংরির কবি দেবী রায় ৩ অক্টোবর ২০২৩ চলে গেছেন --- "কাব্য অমৃতলোক " ফ্ল্...